দেশে করোনাভাইরাসে শুক্রবারবার (২৯ মে) থেকে শনিবার (৩০ মে) দুপুর পর্যন্ত গত ২৪ ঘন্টায় আরও ১ হাজার ৭৬৪ জনের নমুনায় করোনার উপস্থিতি পাওয়া গেছে।
গত ২৪ ঘন্টায় মারা গেছেন আরও ২৮ জন। জেলাভিত্তিক বিশ্লেষণে ঢাকা বিভাগে ১৮ জনএবং অন্যান্য জেলার ১০ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে মারা গেছেন ২৬ জন এবং বাড়িতে ২ জন।
বয়স ভিত্তিক বিশ্লেষণে ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ২ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ৩ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৬ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৯ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৪ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ৪ জন। ২৮ জনের মধ্যে ২৫ জন পুরুষ ও তিনজন নারী। এ নিয়ে মোট প্রাণহানি হলো ৬১০ জনের।
আর করোনা শনাক্ত হওয়া রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো মোট ৪৪ হাজার ৬০৮ জন।
ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে মোট ৫০টি ল্যাবে বর্তমানে নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। গত ২৪ ঘন্টায় ৯ হাজার ৯৮৭ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২ লাখ ৯৭ হাজার ৫৪টি।
এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৩৬০ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছন ৯ হাজার ৩৭৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনের নেওয়া হয়েছে ৪৬৯ জনকে। বর্তমানে আইসোলেশনের আছেন ৫ হাজার ৫২৯ জন। এছাড়া আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ৮০ জন, এ পর্যন্ত মোট ছাড় পেয়েছেন ২ হাজার ৮৯০ জন।
শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ২১ দশমিক ০২ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
যারা কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড় পেয়েছেন তারা সম্পূর্ণ সুস্থ এবং স্বাভাবিক। তারা স্বাভাবিক চলাফেরা করতে পারবেন। তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরামর্শ থাকবে, তারা যেন এখনো নিজ ঘরে থাকেন।
শনিবার (৩০ মে) স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।
